দুমকিতে উপজেলা চেয়ারম্যানের দক্ষ নেতৃত্বে ব্যাপক উন্নয়ন

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান শাহজাহান শিকদার এর নেতৃত্বে তার উপজেলায় রাস্তাঘাটসহ সকল ক্ষেত্রেই ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যে এলাকাগুলোতে মানুষ যানবাহন চলাচলের যেখানে অযোগ্য ছিল সেখানে হচ্ছে খোলামেলা চলাচলের রাস্তাা। উপজেলাবাসী জানান, চেয়ারম্যানের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে উন্নয়নের ছোঁয়ায় আলোকিত দুমকি উপজেলা হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে, উপকূলীয় ঘুর্ণিঝড় এলাকায় ৬, ৭৮,৯৭,৬৯১- টাকা ব্যয়ে ৩টি বহুমূখী ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, আঙ্গারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ, জামলা সরকারি প্রাতমিক বিদ্যালয়ে স্কুর ভবন নির্মাণ,দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দুমকিতে ৭০,১৮,৫২০ টাকা ব্যয়ে ৩ টি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ,দুমকি জনতা কলেজ সরকারি করণ, লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করণ, এছাড়াও দুমকি উপজেলা পরিষদ কর্তৃক (১৭-১৮) ১,৬০,৬২৪৬২ টাকার এডিপি, থোক বিশেষ ও রাজস্ব তহবিলের অর্থায়নে রাস্তাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
দুমকি উপজেলার সাধারণ জনগণ জানান, শাহজাহান সিকদার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ ছিন্তাই, চাঁদাবাজ ভূমি দখলকারী একেবারে বন্ধ হয়েছে বললেও চলে। যত সমস্যাই হউক থানা পুলিশে না গিয়ে সাধারণ জনগণের স্বার্থে গ্রাম্য আদালতে তিনি বিচার শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান। যাতে করে সাধারণ সম্মান হানিও আর্থিক দিক দিয়ে সাধারণ জনগণের ক্ষয়-ক্ষতি না হয়।

বক্তব্যে চেয়ারম্যান শাহজাহান শিকদার জনান, তার উপজেলায় অপরাধ আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। যে যতই অপরাধী এবং প্রভাবশালী হউক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন। এবং তিনি একটি সুন্দর জঙ্গী,সন্ত্রাস,মাদক মুক্ত আধুনিক উপজেলা গড়ার জন্য দুমকি উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগীতা কামনা করেন। জানাগেছে, বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সম্ম্রান্ত মুসলিম পরিবারের একজন সন্তান। জন্মলগ্ন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন একনিষ্ঠ কর্মী। বর্তমানেও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। উপজেলাধীন পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পাঙ্গাশিয়া গ্রামের তার জন্মস্থান। পিতা মরহুম ইউনুচ সিকদারের ৮ ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে তিনি মেঝো। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। স্ত্রী মিসেস কামরুন্নাহার পি,টি,আই প্রশিক্ষক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *