বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২০, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মির্জাগঞ্জে আ’লীগ ও ছাত্রলীগ নেতার উপর ভাইস-চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে হামলা বাউফলে সাংবাদিক মিজানকে হত্যা মামলার আসামি করায় প্রেসক্লাব দুমকির নিন্দা। দুমকিতে ইউএনও’র ত্রাণ তহবিলে আশা’র খাদ্য সামগ্রী হস্তান্তর পটুয়াখালীর মৌকরন ইউনিয়নে সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতার ইফতার সামগ্রী বিতরণ জন্ম দিনে পটুয়াখালীতে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে এবিপার্টি। জন্ম দিনে পটুয়াখালীতে ঘরে ঘরে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে এবিপার্টি। আমতলীতে শিশুদের মাঝে খিচুড়ি বিতরণ| দুমকিতে হতদরিদ্রদের মাঝে হিলফুল ফুজুল সমাজ সেবা সংগঠন’র পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। বিশ্বের শীর্ষ স্থানে যায়গা পেল যমুনার ইউটিউব চ্যানেল – শুভেচ্ছা অভিনন্দন অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সাংবাদিক যমুনা’র কাজী তানভীর

ইলিশ মৌসুমে ৬৫দিন অবরোধের সংশোধন চেয়ে কুয়াকাটায় মৎস্যজীবীদের সাংবাদিক সম্মেলন ॥

ইলিশ মৌসুমে ৬৫দিন অবরোধের সংশোধন চেয়ে

কুয়াকাটায় মৎস্যজীবীদের সাংবাদিক সম্মেলন ॥

আবুল হোসেন রাজু, কুয়াকাটা- কলাপাড়া,প্রতিনিধি ॥

ইলিশের ভরা মৌসুমে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিনের অবরোধের প্রতিবাদ এবং সংশোধনের দাবীতে মৎস্যজীবীরা এবার সোচ্ছার হচ্ছেন। মাছ ধরার মৌসুমে মৎস্যজীবীরা বছরের ৬মাস মাছ ধরা থেকে বিরত থাকলে বেকার হয়ে যাবে প্রায় কোটি মানুষ। মৎস্য অধিদপ্তরের এমন প্রজ্ঞাপণ জারী করায় জেলে জীবীদের মধ্যে হতাশা এবং ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। মাছ ধরার মৌসুমে নতুন করে ৬৫ দিনের অবরোধ আরোপকে মৎস্যজীবীরা অভ্যন্তরীণ ও আর্ন্তজাতিক ষড়যন্ত্র দাবী করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সংম্মেল করেছেন। শুক্রবার বেলা ১১টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের হল রুমে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

মহিপুর-আলীপুর-কুয়াকাটা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষে কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ’র সভাপতি মোঃ আনছার উদ্দিন মোল্লা লিখিত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় ২০১৫ সালের ২০ মে মৎস্য-২ (আইন) অধিশাখা কর্তৃক জারীকৃত প্রজ্ঞাপনে আগামী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সকল ধরনের নৌযানের উপর মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবী করেন এই সময়টা মূলত ইলিশের ভরা মৌসুম। বৈশাখ মাস থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত ছয় মাস ইলিশের মৌসুম বলা হলেও প্রকৃত পক্ষে জৈষ্ঠ্য, আষাঢ়, শ্রাবন ও ভাদ্র এই চার মাস (১২০ দিন) ইলিশ শিকারের মৌসুম। এর মধ্যে ভাদ্র মাসে প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে জেলেরা সমুদ্রে যেতে পারে না। এরপরে সরকার যদি ৬৫দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ বাস্তবায়ন করে তাহলে মৎস্যজীবীদের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হবে। এ পেশা থেকে অনেকই অন্য পেশায় চলে যেতে বাধ্য হবে। যার ফলে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বৈশ্বিক যে অর্জন করেছে তা ব্যাহত হওয়ার আশংকা রয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এই সময়ে বঙ্গোপসাগরে অবরোধ জারী করলেও ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশ গুলোর সমুদ্রের জলসীমায় কোন অবরোধ না থাকায় ওই সকল দেশের জেলেরা সমুদ্রে নির্বিঘেœ মাছ শিকার করছে। তারা এসময় বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকেও মাছ শিকার করে নিয়ে যায়। এতে বাংলাদেশের জেলেরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তাদের দাবী একই সময় ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলো যদি মৎস্য শিকারের উপর অবরোধ জারী করেন তাহলে দেশের স্বার্থ রক্ষা হবে।

মহিপুর ফিসিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার গাজী বলেন, সরকারের আইন মেনে ইলিশের প্রজনণ বৃদ্ধি, জাটকা ইলিশ না ধরাসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরা থেকে বিরত থাকছে। নতুন করে ইলিশ মৌসুমে ৬৫দিনের অবরোধ জারী করায় মৎস্যজীবীদের উপর জুলুম করা হচ্ছে। বছরের ৬মাস (মাছ ধরার মৌসুমে) মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা মানে এ পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় তাদের কর্মসংস্থানের চিন্তা করতে হবে।

আলীপুর বন্দরের ট্রলার মালিক মোঃ দিদার উদ্দিন বলেন, বেসরকারী হিসেবে সমুদ্রে লক্ষাধিক জেলে ট্রলার রয়েছে। এর সাথে প্রায় এক কোটি মানুষ জরিত রয়েছে। যারা সমুদ্রে মাছ আহরন, সংরক্ষন ও বাজারজাত করে কর্মসংস্থানসহ জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। মাছ ধরার মৌসুমে যদি মাছ করা বন্ধ থাকে তাহলে এসব মৎস্যজীবিরা বেকার হয়ে পরবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2019 payra24.com
Design & Developed BY payra24.com