রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দুমকিতে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে সত্তরোর্ধ মানুষিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধা ! দুমকিতে বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত। পটুয়াখালী বন্যাকবলিতদের পাশে এবিপার্টি। দুমকির পাঙ্গাশিয়ায় জাতীয় শোক দিবস পালন দুমকির পাঙ্গাশিয়ায় জাতীয় শোক দিবস পালন দুমকিতে তৈলাক্ত কলাগাছ ও সাঁতার প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত দুমকিতে করোনা সচেতনতায় শ্রমিকলীগ নেতা মনিরের ৫ হাজার মাস্ক বিতরণ। ‘এসো গাছ লাগাই শহর সাজাই’ শ্লোগান নিয়ে অক্সিজেনের ফেরিওয়ালারা রোপন করলো গাছ পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সদস্যদের মাঝে এবিপার্টি’র স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন। কুয়াকাটায় সাংবাদিকদের মাঝে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ।

করোনার আতঙ্ক দুমকিতে এনজিও’র কিস্তি বন্ধের দাবি ঋণ গ্রহিতাদের

দুমকি(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি॥ করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সমগ্র দেশ জুড়ে রয়েছে আতঙ্ক। পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের মাঝে বিরাজ করতে আতংকাবস্থা । উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সচেতনতা অবলম্বন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এতে কর্মমুখী নি¤œআয়ের শ্রমজীবি মানুষের জীবন যাত্রায় বিরুপ প্রভাব পড়েছে। দৈনন্দিন আয়-রোজগার বন্ধ ও কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। বিশেষত: বিভিন্ন এনজিও’র ঋণগ্রস্থ শ্রমজীবি ও নি¤œ আয়ের দরিদ্র মানুষ সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। উপজেলার অধিকাংশ মানুষ বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ও সমিতির ঋণের জালে আবদ্ধ। তাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কাজ বন্ধের কথা মনে হলেই ঋণের কিস্তি শোধের চিন্তায় কপালে ভাজ পরছে ঋণগ্রস্থ সাধারণ মানুষের।
উপজেলার পীরতলা বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল ও রফিক জানান, আমাদের নিজেদের কোন টাকা নেই। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে দোকান করি। ঘরে থাকতে হলেতো দোকান বন্ধ রাখতে হবে তখন সমিতির থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি শোধ করবো কি ভাবে? কিস্তির টাকার জন্যে আজও দু’বার ফোন দিয়েছে ।
শ্রমিক কালাম, ফিরোজ, রাসেল বলেন, আমাদের-তো কাজ করলে পেটে ভাত জোটে না করলে ভাত জেটে না। আমরা কি ভাবে ঘরে থাকবো? এরউপর কম বেশি কিস্তি আছে সকলের। সরকারের কাছে অনুরোধ ভাইরাস যত দিন না যায় ততো দিন অন্তত আমাদের কিস্তির টাকাটা বন্ধ রাখুন।
স্থানীয় সাধারন মানুষের একটাই দাবি এই সংকটকালীন সময়ে ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি উত্তোলন স্থগিত করা হোক। না হয় করোনার চেয়েও এই কিস্তি বড় বিপদ হয়ে দাড়াবে। যাতে করে আমাদের আত্মহত্যা করা ছাড়া কোন পদ থাকবে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মাঠ পর্যায়ের এনজিও কর্মী জানান, ঋণ বিতরণ করার পর উত্তলন করার দায়িত্ব তাদের। কেউ কিস্তি না দিলে আমাদের পকেট থেকে অফিসকে দিতে হয়। আমাদেরও চাকরি বাঁচাতে হবে। সরকার কিস্তি বন্ধের সিদ্ধান্ত দিলে আমাদের কোন সমস্যা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2019 payra24.com
Design & Developed BY payra24.com