রবিবার, ০৭ Jun ২০২০, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাউফলে সাংবাদিক মিজানকে হত্যা মামলার আসামি করায় প্রেসক্লাব দুমকির নিন্দা। দুমকিতে ইউএনও’র ত্রাণ তহবিলে আশা’র খাদ্য সামগ্রী হস্তান্তর পটুয়াখালীর মৌকরন ইউনিয়নে সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতার ইফতার সামগ্রী বিতরণ জন্ম দিনে পটুয়াখালীতে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে এবিপার্টি। জন্ম দিনে পটুয়াখালীতে ঘরে ঘরে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে এবিপার্টি। আমতলীতে শিশুদের মাঝে খিচুড়ি বিতরণ| দুমকিতে হতদরিদ্রদের মাঝে হিলফুল ফুজুল সমাজ সেবা সংগঠন’র পক্ষ থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। বিশ্বের শীর্ষ স্থানে যায়গা পেল যমুনার ইউটিউব চ্যানেল – শুভেচ্ছা অভিনন্দন অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সাংবাদিক যমুনা’র কাজী তানভীর অসহায় মানুষের পাশে মানবিক সাংবাদিক যমুনা’র কাজী তানভীর

সোনালী আঁশের স্বর্ণালী দিনের অপেক্ষায় পাট চাষিরা

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের চিতলমারীর পাট চাষিরা সোনালি আঁশের স্বর্ণালী দিনের অপেক্ষায় রয়েছেন। অনেকেই এখন পাট চাষে ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখছেন। তারা ন্যায্যমূল্য পেলে আগামিতে আরো ব্যাপক ভাবে এটি চাষ করবেন বলে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। উপজেলার মধুমতি ও বলেশ্বর নদীর বিস্তৃর্ণ চর ও বিভিন্ন জমিতে এ বছর ব্যাপক ভাবে পাট চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে এসব জমির পাট কেটে জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর কাছে ব্যস্ত চাষীরা।

স্থানীয় চাষিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিগত কয়েক বছর ধরে পাট চাষ করে লোকসান গুনতে হয়েছে চাষিদের, ফলে এটি চাষ করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন চাষিরা কিন্তু বর্তমানে দেশ-বিদেশে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এটি চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। এছাড়া এ বছর পাটের বাজার দর ভালো থাকায় ও পাটকাঠি থেকে বাড়তি আয় ঘরে আসায় কিছুটা লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। ফলে অন্যান্য ফসল চাষের পরিবর্তে পাট চাষ করছেন চাষিরা।

বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বড়বাড়িয়া, কলাতলা, হিজলা, শিবপুর, চিতলমারী সদর, চরবানিয়ারী ও সন্তোষপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন জমিতে ব্যাপক ভাবে পাট চাষ করা হয়েছে। এলাকার নারী-পুরুষ সকলে রাত-দিন সমান তালে পাট কেটে প্রক্রিয়া জাতের জন্য কাজ করছেন। গত কয়েক বছর ধরে সবজি ও ধান চাষ করে লোকসান হওয়ায় এটি চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন চাষিরা। যার কারণে অনেকেই আগ্রহের সাথে পাট চাষ করছেন। ফলে ফিরে এসেছে সোনালি আঁশের সুদিন। এলাকার শত শত চাষিরা এখন এটি চাষের মাধ্যমে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন।

উপজেলার কুড়ালতলা গ্রামের ননী গোপাল মন্ডল জানান, তিনি ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। এ বছর পাটের গাছও খুব ভালো হয়েছে। বর্তমানে এসব পাট কেটে পানিতে জাগ দেওয়া হচ্ছে। আগামি ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর প্রক্রিয়া জাতের মাধ্যমে এসব পাটের আঁশ তুলে শুকনোর পর বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হবে। এছাড়া খড়মখালী গ্রামের শুশীল মন্ডল ২ বিঘা, রেপতী মন্ডল ১০ কাঠা, গুরুদাস মন্ডল ২ বিঘা ও শুধাংসু মন্ডল ২ বিঘাসহ শত শত চাষিরা জমিতে পাট চাষ করেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার জানান, এ বছর পাটের বাজার দর খুবই ভালো আছে। প্রতি মণ পাট ১৮ শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে । যেটি অন্য বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। এছাড়া পাটের চেয়ে এর খড়ি থেকে একটা বড় ধরণের লাভের টাকা ঘরে আসে চাষিদের। এলাকায় সাধারণত ও-৯৮৯৭ এবং বঙ্কিম জাতের পাটের চাষ করা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় জাতের মেচতা ও বাবুর দানা পাট চাষ করেছেন চাষিরা। পাট চাষে জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি পায় ফলে এসব জমিতে অন্যান্য ফসল ও ভালো ফলন পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2019 payra24.com
Design & Developed BY payra24.com